অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে

 



অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে তাড়ানো হবে: অমিত শাহ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হলে ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ চিহ্নিত করে রাজ্য থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে যারা সিন্ডিকেটবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এদের রক্ষা করছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আজ বীরভূম জেলার খয়রাশোলে এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

অমিত শাহ আরও বলেন, বিজেপির নেতা-কর্মীদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে, ৫ মে’র পর তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে—প্রয়োজনে পাতাল থেকেও তুলে আনা হবে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, ‘দিদি-ভাইপোর’ আশ্রিত দুষ্কৃতকারীদের জেলে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন প্রকৃত ‘ভূমিপুত্র’, তবে ‘দিদি’ বা তাঁর পরিবারের কেউ নন। যিনি বাংলায় জন্মেছেন, বাংলায় কথা বলেন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত—তাকেই বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী করবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে অভিযোগ করেন, ভোটের রাজনীতির স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন বর্তমান সরকার।


বাংলার ২৯৪ আসনের প্রার্থী আমি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি আপনাদের সঙ্গে থেকেই এই নির্বাচনী লড়াই লড়ব। আপনাদের আমার সহযোদ্ধা হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা কোনো প্রার্থী নয়—“২৯৪টি আসনের প্রার্থী আমি নিজেই।”

এর প্রেক্ষিতে তিনি মোদি -কে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনি যদি ২৯৪ আসনের প্রার্থী হন, তাহলে আগে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ুন। তারপর বলুন আপনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চান।”

ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেন, “১২ বছর ধরে আমাকে বিরক্ত করা হচ্ছে। আগে সিপিএম করত, এখন বিজেপি করছে। বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপি ‘ধর্মের রাজনীতি’ করছে এবং মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছে। আরএসএসের কিছু নেতাকেও তিনি সমালোচনা করেন।

মমতা প্রশ্ন তোলেন, “উত্তর প্রদেশের মতো এখানে বুলডোজার চলবে—এর মানে কী?” তিনি বলেন, “আমি বুলডোজার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, আমি ভালোবাসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।”

এছাড়া তিনি সতর্ক করে বলেন, বিজেপির কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ না করতে। অভিযোগ করেন, ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে কালো টাকা ঢুকিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলা হতে পারে।

আজ তিনি কাঁকসা ও দুর্গাপুরের জনসভাতেও বক্তব্য দেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ