পেট্রোবাংলার তত্ত্বাবধানে এলএনজি আমদানির কাজ পরিচালনা করে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)। তিনজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুপুর ২টা থেকে এক্সিলারেট ১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে এবং রাত ৯টার পর সরবরাহ আরও বাড়তে পারে।
এর আগে, ২৫ দিনের তীব্র গ্যাস সংকটের পর ১৫ আগস্ট সামিট টার্মিনাল পুরোপুরি ও এক্সিলারেট আংশিক চালু হলে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এলএনজি নতুন কার্গো না আসায় এক্সিলারেট থেকে সরবরাহ গত বুধবার বিকেলে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আজকের কার্গো এসে মজুত থেকে সরবরাহ শুরু হয়েছে।
দেশে দেশের গ্যাস উৎপাদন ৯ বছর ধরে কমছেই, যা পূরণে ২০১৮ থেকে এলএনজি আমদানি শুরু হয়। মহেশখালীতে দুইটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে—একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির, অন্যটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়েছিল, যা ১৫ আগস্ট থেকে পুনরায় চালু হয়েছে।
গ্যাস চাহিদা দিনে প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ সর্বোচ্চ ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজির সরবরাহ ছিল ১০৫ কোটি ঘনফুট, বাকি দেশীয় গ্যাস থেকে। এক মাস ধরে এলএনজি সরবরাহ গড়ে ক্ষমতার অর্ধেকের মতো।
আজ দুপুর ১২টায় এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৮ কোটি ঘনফুট, বিকেলে বেড়ে ৬৮ কোটি এবং রাত পর্যন্ত ৭৫ কোটি ঘনফুট পৌঁছাতে পারে, যা মোট সরবরাহ ২৩৭ কোটি ঘনফুটে উন্নীত করবে। তবে এই হারেও গ্যাস সংকট পুরোপুরি কাটবে না।
সরকারের সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কম দামে এলএনজি কেনার পরিকল্পনা থাকলেও আগস্টে ধার্য চারটি কার্গোর একটিও আসেনি, যা সরবরাহ ঘাটতির কারণ। এ মাসের জন্য দু’টি কার্গো দরপত্রে পাওয়া গেছে, যার একটি আজ এসেছে, আরেকটি ২৬-২৭ আগস্ট আসার কথা।

0 মন্তব্যসমূহ